খামেনি নিহত, ইরানে ৪০ দিনের শোক ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত হয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এই খবর নিশ্চিত করেছে।

কান্নাবিজড়িত কণ্ঠে এক ঘোষণায় ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের উপস্থাপক দেশটিতে ৪০ দিনের শোক ঘোষণার কথা জানান। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের হামলার পর খামেনি মারা গেছেন বলে দাবি করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার শাসন ব্যবস্থা চালু হয় ১৯৭৯ সালে ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে। এক বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানে রেজা শাহ পাহলভীর রাজতন্ত্রকে উৎখাত করা হয়। তাকে উৎখাতের পর ইরানে ধর্মীয় প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।

এরপর দেশটি দুজন সুপ্রিম লিডার বা সর্বোচ্চ নেতা পেয়েছে। তাদের পদবী হিসেবে আয়াতুল্লাহ ব্যবহার করা হয়, শিয়া ধর্মাবলম্বীদের কাছে যার অর্থ সিনিয়র ধর্মীয় নেতা।

সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি দেশটির সামরিক বাহিনীর কমান্ডার-ইন-চীফও ছিলেন।




এলজিইডির প্রভাতী প্রকল্পে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি জোরদার

এসএম বদরুল আলমঃ এলজিইডি পরিচালিত প্রভাতী প্রকল্পের বারটা বাজিয়ে দিয়েছেন সাবেক পিডি আনিসুল ওহাব। ওটিএম টেন্ডারে ২০-২৫% ঘুষ নিয়ে কার্যাদেশ দিতেন। এনজিও মহিলাদের মাধ্যমে সম্পন্ন কাজে ঘুষের রেট আরও বেশি আদায় করতেন। ওই প্রকল্প ভুক্ত নির্মাণ মার্কেট নির্মাণ সম্পন্ন না করে ফাইনাল বিল পরিশোধ করেছেন অনেক জায়গায়।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডি পরিচালিত একটি প্রকল্পের নাম প্রভাতী। প্রকল্পের নাম প্রভাতী হলেও অনিয়ম ও দুর্নীতি করে প্রকল্পের বারোটা বাজিয়েছেন সাবেক প্রকল্প পরিচালক বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আনিসুল ওহাব। সূত্র জানায় সাতশ ৫৭ কোটি টাকার এই প্রকল্পের পিডি আনিসুল ওহাব পকেটে ঢুকিয়েছেন প্রায় শত কোটি টাকা।

উত্তরবঙ্গ কেন্দ্রিক প্রভাতী প্রকল্পের আওতায় যে মার্কেট গুলো নির্মিত হয়েছে তার সিংহভাগ নির্মান সম্পন্ন নাকরেই ঠিকাদারের সাথে যোগসাজসে ফাইনাল বিল পরিশোধ করে আশি ভাগ টাকা নিয়েছেন পিডি আনিসুল ওহাব। সূত্র আরো জানায় অনেকগুলো স্থানে মার্কেটর লেআউট দিয়ে ব্যাবসায়ীদের নিকট থেকে দোকানের পজেশন বাবদ মোটা অংকের টাকা নিয়ে পিডি পকেটে ঢুকিয়েছেন। সূত্র জানায় কোন কোন মার্কেটে অনৈতিক ভাবে দোকানের পজেশন বিক্রি করেছেন। প্রকল্পের ডিপিপিতে উল্লেখ আছে পিডি দোকানের পজেসন বিক্রি করতে পারবেন না।

এই প্রকল্পের আওতায় প্রায় চল্লিশ ভাগ উন্নয়ন কাজ নির্ধারিত এনজিওর মাধ্যমে মহিলাদের দিয়ে কাজ করাতে হবে। সূত্র জানায় পিডি মোটা অংকের ঘুষ নিয়ে এনজিওর সাথে ৬০/৪০ শেয়ারে নয়ছয় করে কাজ সম্পন্ন দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। শুধু তাই নয় এনজিও নিয়োগের ক্ষেত্রেও মোটা অংকের ঘুষ বিনিজ্য হয়েছে।

সূত্র জানায়, এনজিও নিয়োগের ক্ষেত্রে পিডি আনিসুল ওহাব ঘুষকে পারদর্শী হিসেবে গণ্য করেছেন,সক্ষমতা নয়। যে এনজিও যত বেশি ঘুষ অফার করেছে তার সক্ষমতা তত বেশি বলে গন্য হয়েছে আনিসুল ওহাবের কাছে।

সূত্র আরো জানায়, প্রকল্পের ডিপিপিতে যে মার্কেট গুলো নির্মিত হওয়ার কথা ছিল তা সবগুলো নির্মাণ করা হয়নি জায়গা না পাওয়ায়।অনেক গুলো প্রয়োজন মত জায়গা না পাওয়া গেলেও মার্কেট ছোট করে নির্মান করা হলেও ফুল সাইজ মার্কেটের মূল্য উঠিয়ে নিয়েছেন ,ক্ষেত্র বিশেষ এই টাকার পরিমান এক থেকে তিন কোটি পর্যন্ত। সূত্র আরো জানায় সিংহভাগ মার্কেট নির্মাণে অপ্রয়োজনে রিভাইজ করে বাড়তি টাকা ঠিকাদারের সাথে ৬০-৪০ হারে ভাগাভাগি করে ৬০ ভাগ পিডি আনিসুল ওহাব নিয়েছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রভাতী প্রকল্পের একাধিক কর্মকর্তা এই প্রতিবেদককে বলেন, প্রভাতী প্রকল্পের কোন টেন্ডার স্বাভাবিক হয়নি , প্রতিটি টেন্ডারে কার্যাদেশের পূর্বে পিডি আনিসুল ওহাবকে তার ঘুষের টাকা গুনে গুনে পরিশোধ করতে হয়েছে। তারা আরো বলেন প্রায় প্রতিদিনই পিডি ব্যাগ ভরে ঘুষের টাকা নিয়ে যেতেন।

আনিসুল ওহাবের বক্তব্য জানতে তার সেল ফোনে যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি। আমাদের এক দল অনুসন্ধানী প্রতিবেদক প্রকল্পভুক্ত এলাকায় ও আনিসুল ওহাবের অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিষয় অনুসন্ধান করছেন তাদের রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তী আপগ্রেড পাঠক সম্মুখে উপস্থাপন করা হবে।




দরপত্র কারসাজি, কমিশন বাণিজ্য ও শত কোটি টাকার সম্পদ: ঢাকা সার্কেল-৩ এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীকে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ

বিশেষ প্রতিবেদকঃ  বিগত সরকারের আমলে গণপূর্ত অধিদপ্তরে হরিলুট হয়েছে সবচেয়ে বেশি, তবে ২০২৪ সালের ৫ ই আগস্টের পরে অনেক প্রকৌশলী বরখাস্ত, সাময়িক বরখাস্ত, বদলি, মামলা সহ বিভিন্ন শাস্তির আওতায় পড়েছেন, আবার অনেক চিহ্নিত বিতর্কিত  দুর্নীতিবাজ  প্রকৌশলীরা এখনো আছেন বহাল তবিয়তে অদৃশ্য ক্ষমতা বলে তাদের মধ্যে অন্যতম তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নুরুল আমিন মিয়া।

ঢাকা  গণপূর্ত সার্কেল ৩  তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নুরুল আমিন মিয়ার  বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন শীর্ষ গণমাধ্যমে তার অনিয়ম দুর্নীতি ও সরকারি প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ অবৈধ অর্থে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে  একাধিক সংবাদ প্রকাশ বিভিন্ন দপ্তরের জমা পড়েছে একাধিক অভিযোগ রয়েছে নানা বিতর্ক তারপরও কেন তিনি কোন শাস্তির আওতায় পড়েন না ?

তিনি কিভাবে আছেন তার স্বপদে বহাল ? কে এই তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নুরুল আমিন মিয়া? কি তার ক্ষমতার উৎস?

কুমিল্লার ফরিদগঞ্জ উপজেলার শোল্লা ইউনিয়নের ভাওয়াল গ্রামের শামসুল হক ও খোদেজা বেগমের ছেলে শামসুল হক।১৮ তম বি সি এস ব্যাচ ১৯৯৯ সালে সরকারি প্রকৌশলী হিসেবে গণপূর্ত অধিদপ্তরে যোগদান করেন। অভিযোগ আছে চাকরি জীবনের শুরুতেই জড়িয়ে পড়েন বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতিতে।

তত্ত্ববধায়াক প্রকৌশলী নুরুল আমিন মিয়ার সাথে সখ্যতা ছিল বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের একাধিক প্রভাবশালী নেতা এমপি ও মন্ত্রীর সঙ্গে, যার প্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ থাকলেও তিনি কখনো কোন শাস্তির আওতায় পড়েননি এবং পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন বারবার পদোন্নতি। বিভিন্ন অভিযোগ ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের তথ্যের তালিকায় রয়েছে তার বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় যেমন:  আবহাওয়া ও গণপূর্ত অধিদপ্তর  ভয়াবহ দুর্নীতির যেই অভিযোগ ছিল  সেই দুর্নীতির বড় মাস্টারমাইন্ড ছিলেন ঢাকা গণফূর্ত সার্কেল ৩ এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নুরুল আমিন মিয়া।

রাজধানীর উত্তরা ৮ নম্বর সেক্টরে গণপূর্ত অধিদপ্তরের আবাসিক ভবনের কয়েক বছর আগে বাতিল হওয়া দরপত্র পুনরায় অনুমোদন দিয়েছিলেন। ৩০ থেকে ৪০ লাখ টাকার খরচ ১ কোটি ১৭ লাখ টাকা দেখিয়ে পুরো টাকা মিলেমিশে আত্মসাৎ করেছিলেন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নুরুল আমিন মিয়া এবং  আবহাওয়া অধিদপ্তরের একজন পরিচালক ও পরিকল্পনা কমিশনার একজন ইনচার্জ।

নিম্নমানের সামগ্রী সরবরাহ ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি ও কাজ সম্পন্ন না করেও বিল তুলে অর্থ   আত্মসাৎ করেছিলেন। দেশের একাধিক শীর্ষ গণমাধ্যমে সেই সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল। অর্থের বিনিময়ে অনেক সাংবাদিককে ম্যানেজ করে সংবাদ প্রত্যাহার করেছিলেন।

গণপূর্ত অধিদপ্তরের তদন্তে দুর্নীতি  প্রমাণিত হয়েছিল এবং তত্ত্ববোধক প্রকৌশলী নুরুল আমিন মিয়ার বিরুদ্ধে শাস্তির সুপারিশ করা হয়েছিল প্রতিবেদনে কিন্তু পরবর্তীতে আর কার্যকর হয়নি অভিযোগ আছে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ দিয়ে সেই ঘটনা ধামাচাপা দিয়েছিলেন।

দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকের তদন্তে ও প্রমাণিত হয়েছিল তারপরও কোন শাস্তির আওতায় পড়েননি তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নুরুল আমিন মিয়া। একজন নির্বাহী প্রকৌশলী  ও  তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. নূরুল আমীন মিয়ার বিরুদ্ধে ঠিকাদারের সাথে আঁতাত করে ১০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ।

গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের বাতিল করা একটি দরপত্র পুনরায় আহবান করে নির্দিষ্ট ঠিকাদারকে কাজটি পাইয়ে দেওয়ার জন্য এই অর্থ ঘুষ নিয়েছিলেন। ১২০ কোটি টাকার ৩টি বেসমেন্ট সহ ১২ তলা অফিস ভবন নির্মাণ, প্রশাসনিক এলাকা, অভ্যন্তরীণ স্যানিটারি ও পানি সরবরাহ এবং অভ্যন্তরীণ বিদ্যুতায়ন কাজ প্রকল্পের দরপত্রটি  যখন আহবান করা হয়েছিল তখনই দরপত্রের রেট কোটেশন পছন্দের ঠিকাদারের একটি প্রতিষ্ঠানকে গোপনে কমিশন নিয়ে দিয়েছিলেন। এন. ডি. ই. সেই দরপত্রে সঠিক ১০ শতাংশ কমে দরপত্রে দর দিয়ে নির্বাচিত হয়েছিল।

তবে সেই অনিয়মের তথ্য দুর্নীতি দমন কমিশনের কাছে পৌছালে দুদক গত ২১ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে একটি অভিযান পরিচালনা করেছিল এবং দুদকের প্রাথমিক তদন্তে তত্ত্ববধায়ক প্রকৌশলী নুরুল আমিন মিয়ার নাম উঠে এসেছিল। দুদকের সেই অভিযানের পরে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় অভিযোগের সত্যতা পেয়ে দরপত্রটি বাতিল করে দিয়েছিল এবং সেই দুর্নীতির দায়ে তত্ত্ববধায়ক প্রকৌশলী নুরুল আমিন এর নামও এসেছিল কিন্তু এখানেও তিনি কোন শাস্তির আওতায় পড়েননি। ঘুষ নিয়ে আহবান করা দরপত্রের আইডি ছিল ১১২০৮৫৩।

দরপত্রটি বাতিল হয়ে যাওয়ার পরে পুনরায় প্রাক্কলন অনুমোদন ছাড়াই ঢাকা গণপূর্ত সার্কেল-৩ এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও শেরে বাংলা নগর গণপূর্ত বিভাগ-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী যোগসাজশে দরপত্রটি ১২০৭৪৯৯ আইডিতে আবার আহবান করেছিল। চট্টগ্রাম গণপূর্ত ৩ এর নির্বাহী প্রকৌশলী থাকা অবস্থায় নুরুল আমিন মিয়া ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতি টেন্ডার  কমিশন বাণিজ্য করে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিভিন্ন প্রকল্প থেকে আত্মসাৎ করেছেন।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তৈরি করেছিলেন একটি সিন্ডিকেট যা এখনো বহাল আছে। গণপূর্ত অধিদপ্তরের সবচেয়ে বিতর্কিত দুর্নীতিবাজ প্রধান প্রকৌশলী শামীম আখতারের বিশ্বস্ত সহযোগী ছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকার আমলে একাধিক মন্ত্রী এমপির সঙ্গে ছিল ঘনিষ্ঠ সখ্যতা। ফ্যাসিবাদ সরকারের আমলে গঠিত সিন্ডিকেটের অনেক সদস্য ইতিমধ্যে বিভিন্ন শাস্তির আওতায় পড়েছেন কিন্তু তিনি আছেন ধরাছোঁয়ার বাহিরে।  বিগত সরকারের আমলে দলীয়করণ স্বজনপ্রীতির অভিযোগ , বিতর্কিত কর্মকাণ্ড, অনিয়ম-দুর্নীতির প্রথম  সারিতে ছিলেন।  তার অনিয়ম দুর্নীতি নিয়ে একাধিক ঠিকাদারের অভিযোগ গণপূর্ত অধিদপ্তরে অভিযোগ দায়ের করলেও তিনি থেকে গেছেন পর্দার আড়ালে অবৈধ ক্ষমতার প্রভাবে। বিভিন্ন প্রকল্প থেকে  কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ  : বিভিন্ন প্রকল্প থেকে ভুয়া বিল ভাউচার করে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ  রয়েছে।  সাবেক গণপূর্তমন্ত্রী,সচিব, রাজনীতিবিদ প্রভাবশালী ঠিকাদার সহ তৎকালীন বিতর্কিত অনেকের  ছিলেন আস্থাভাজন ।

একাধিক অভিযোগ ও নানা বিতর্ক থাকার পরও অবৈধ অর্থ দিয়ে সবকিছু ম্যানেজ করে নেন । বদলি বাণিজ্যে করেও উপার্জন করেছেন বিপুল পরিমাণ অর্থ ও অনেক দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলীকে পুনর্বাসন করেছেন। দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকের দায়ের হয়েছে একাধিক অভিযোগ কিন্তু অদৃশ্য কারণে আলোর মুখ দেখেনা। ২০২৪ সালের ৫ ই আগস্টের পর বেশকিছু রাজনৈতিক মহলকে অর্থ ডোনেশন দিয়ে নিজের ক্ষমতা পাকাপোক্ত করেছেন।

ঘুষ দুর্নীতি অনিয়ম কমিশন বাণিজ্য প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ করে ক্রয় করেছেন বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অভিযোগ আছে চাকরি জীবনের পূর্বে পরিবারে তেমন আর্থিক স্বচ্ছলতা ছিল না কিন্তু গণপূর্ত অধিদপ্তরে যোগদান করে অনিয়ম দুর্নীতি  করে ইতিমধ্যে ক্রয় করেছেন একাধিক প্লট ফ্লাট বাড়ি গাড়ি ।

বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য  সূত্রের তথ্যে জানা যায় সম্পদের তালিকায় রয়েছে : তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নুরুল আমিন মিয়া বসবাস করেন রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ৭৬ নম্বর বাড়ির ৫/সি ফ্লাটে এখানে তিনি ভাড়া থাকেন তবে এখানে তিনি প্রতি মাসের ৭০ হাজার টাকা বাড়ি ভাড়া দেন অথচ তার বৈধ আয় দিয়ে এমন বিলাসী জীবন যাপন কোনোভাবেই সম্ভব না।

রাজধানীর গুলশানে কয়েক কোটি টাকা দিয়ে একটি ফ্লাট ক্রয় করেছেন যেটার ইন্টেরিয়র ডেকোরেশন এর কাজ চলমান রয়েছে এখানেও ব্যয় হচ্ছে প্রায় কোটি কোটি টাকা অনুসন্ধানী তথ্য বলছে সেই বাড়িতে তিনি নতুন আসবাবপত্র সহ কোটি কোটি টাকা ব্যয় করছেন।  ৭৬ সেগুনবাগিচায় বসবাসরত বাড়ির কেয়ারটেকারের কাছে ছদ্মপরিচয়ে জানতে চাইলে তারা বলেন স্যার দ্রুত তার নিজের ফ্ল্যাটে গুলশানে চলে যাবেন । পরিবারের সদস্যদের চলাচলের জন্য রয়েছে একটি দামি গাড়ি যেটা ক্রয় করেছেন তার স্ত্রী আয়েশা আক্তারের নামে ।

তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নুরুল আমিন মিয়ার বাবা প্রয়াত শামসুল হকের তেমন একটা আর্থিক স্বচ্ছলতা ছিল না কিন্তু তিনি গণপূর্ত অধিদপ্তরে প্রকৌশলী হিসেবে যোগদান করেই নিজের ও পরিবারের সদস্যদের অর্থনীতির চাকা ঘুরিয়ে ফেলেছেন, অবৈধ উপায়ে আজ তিনি শত কোটি টাকার মালিক। কুমিল্লার ভাওয়াল গ্রামে কয়েক কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করেছেন একটি ডুপ্লেক্স বাড়ি।  কুমিল্লা শহরেও রয়েছে বিপুল পরিমাণ সম্পদ। রাজধানী ঢাকায় রয়েছে আরও একাধিক ফ্লাট প্লট জমি স্ত্রী সন্তানদের নামে। বিভিন্ন ব্যাংকে ছেলে আরিয়ান নাফিস ও মেয়ে নিশাত নায়লার নামে বেশ কয়েকটি বেসরকারি ব্যাংকে বিপুল পরিমাণ অর্থ গচ্ছিত রয়েছে।

একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্য অনুসারে আইনের চোখ ফাঁকি দেওয়ার জন্য অধিকাংশ সম্পদ স্ত্রী, আয়েশা আক্তার, ছেলে আরিয়ান নাফিস, মেয়ে নিশাত নায়লা,শশুর, শাশুড়ি সহ আরো বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনের নামে বেনামে ক্রয় করেছেন বিপুল পরিমাণ সম্পদ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গণপূর্ত অধিদপ্তরের বেশ কয়েকজন  প্রকৌশলী বলেন নুরুল আমিন মিয়ার বিরুদ্ধে আদৌ বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ এসেছে কিন্তু কোন লাভ হয়নি কারণ তিনি অনেক ধূর্ত ও চালাক সবকিছু অদৃশ্য করে দেন তবে তার দায়িত্বে থাকা সকল প্রকল্প গুলো পুনরায় তদন্ত করলে তার সব অনিয়ম দুর্নীতি বের হয়ে আসবে।

সাংবাদিকদের কাছে তিনি কখনো ধরা দেন না প্রকাশ্য কথা বলেন না এবং তাকে কেউ ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেন না। দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন যদি তার বিরুদ্ধে পূর্বেও কোন অভিযোগ থেকে থাকে সেটা খতিয়ে দেখা হবে এবং গণমাধ্যমে প্রকাশিত সকল সংবাদ আমরা গুরুত্ব সহকারে পর্যালোচনা করে দেখাবো, কোন সরকারি কর্মকর্তা ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে অবৈধ সম্পদ অর্জন করলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।এই বিষয়ে জানতে তাকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি এমনকি খুদে বার্তা পাঠিয়ে কোন উত্তর পাওয়া যায়নি।

করে ইতিমধ্যে ক্রয় করেছেন একাধিক প্লট ফ্লাট বাড়ি গাড়ি ।

বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্যে জানা যায় সম্পদের তালিকায় রয়েছে : তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নুরুল আমিন মিয়া বসবাস করেন রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ৭৬ নম্বর বাড়ির ৫/সি ফ্লাটে এখানে তিনি ভাড়া থাকেন তবে এখানে তিনি প্রতি মাসের ৭০ হাজার টাকা বাড়ি ভাড়া দেন অথচ তার বৈধ আয় দিয়ে এমন বিলাসী জীবন যাপন কোনোভাবেই সম্ভব না।

রাজধানীর গুলশানে কয়েক কোটি টাকা দিয়ে একটি ফ্লাট ক্রয় করেছেন যেটার ইন্টেরিয়র ডেকোরেশন এর কাজ চলমান রয়েছে এখানেও ব্যয় হচ্ছে প্রায় কোটি কোটি টাকা অনুসন্ধানী তথ্য বলছে সেই বাড়িতে তিনি নতুন আসবাবপত্র সহ কোটি কোটি টাকা ব্যয় করছেন। ৭৬ সেগুনবাগিচায় বসবাসরত বাড়ির কেয়ারটেকারের কাছে ছদ্মপরিচয়ে জানতে চাইলে তারা বলেন স্যার দ্রুত তার নিজের ফ্ল্যাটে গুলশানে চলে যাবেন । পরিবারের সদস্যদের চলাচলের জন্য রয়েছে একটি দামি গাড়ি যেটা ক্রয় করেছেন তার স্ত্রী আয়েশা আক্তারের নামে ।

তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নুরুল আমিন মিয়ার বাবা প্রয়াত শামসুল হকের তেমন একটা আর্থিক স্বচ্ছলতা ছিল না কিন্তু তিনি গণপূর্ত অধিদপ্তরে প্রকৌশলী হিসেবে যোগদান করেই নিজের ও পরিবারের সদস্যদের অর্থনীতির চাকা ঘুরিয়ে ফেলেছেন, অবৈধ উপায়ে আজ তিনি শত কোটি টাকার মালিক। কুমিল্লার ভাওয়াল গ্রামে কয়েক কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করেছেন একটি ডুপ্লেক্স বাড়ি। কুমিল্লা শহরেও রয়েছে বিপুল পরিমাণ সম্পদ। রাজধানী ঢাকায় রয়েছে আরও একাধিক ফ্লাট প্লট জমি স্ত্রী সন্তানদের নামে। বিভিন্ন ব্যাংকে ছেলে আরিয়ান নাফিস ও মেয়ে নিশাত নায়লার নামে বেশ কয়েকটি বেসরকারি ব্যাংকে বিপুল পরিমাণ অর্থ গচ্ছিত রয়েছে।

একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্য অনুসারে আইনের চোখ ফাঁকি দেওয়ার জন্য অধিকাংশ সম্পদ স্ত্রী, আয়েশা আক্তার, ছেলে আরিয়ান নাফিস, মেয়ে নিশাত নায়লা,শশুর, শাশুড়ি সহ আরো বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনের নামে বেনামে ক্রয় করেছেন বিপুল পরিমাণ সম্পদ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গণপূর্ত অধিদপ্তরের বেশ কয়েকজন প্রকৌশলী বলেন নুরুল আমিন মিয়ার বিরুদ্ধে আদৌ বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ এসেছে কিন্তু কোন লাভ হয়নি কারণ তিনি অনেক ধূর্ত ও চালাক সবকিছু অদৃশ্য করে দেন তবে তার দায়িত্বে থাকা সকল প্রকল্প গুলো পুনরায় তদন্ত করলে তার সব অনিয়ম দুর্নীতি বের হয়ে আসবে।

সাংবাদিকদের কাছে তিনি কখনো ধরা দেন না প্রকাশ্য কথা বলেন না এবং তাকে কেউ ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেন না। দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন যদি তার বিরুদ্ধে পূর্বেও কোন অভিযোগ থেকে থাকে সেটা খতিয়ে দেখা হবে এবং গণমাধ্যমে প্রকাশিত সকল সংবাদ আমরা গুরুত্ব সহকারে পর্যালোচনা করে দেখাবো, কোন সরকারি কর্মকর্তা ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে অবৈধ সম্পদ অর্জন করলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।এই বিষয়ে জানতে তাকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি এমনকি খুদে বার্তা পাঠিয়ে কোন উত্তর পাওয়া যায়নি।




বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হার ভারতের

ক্রীড়া ডেস্কঃ সুপার এইট পর্বে বড় ধাক্কা খেল স্বাগতিক ভারত। আহমেদাবাদে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ৭৬ রানের বিশাল ব্যবধানে হেরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসে রানের হিসাবে নিজেদের সবচেয়ে বড় পরাজয়ের মুখ দেখল তারা।

টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। ২০ রানের মধ্যেই ৩ উইকেট হারায় প্রোটিয়ারা। তবে সেখান থেকে দলের হাল ধরেন ডেভিড মিলার ও ডেওয়াল্ড ব্রেভিস। চতুর্থ উইকেটে তাদের ৯৭ রানের জুটিতে ম্যাচে ফেরে আফ্রিকা। মিলার ৩৫ বলে ৬৩ ও ব্রেভিস ২৯ বলে ৪৫ রান করেন। শেষ দিকে ত্রিস্তান স্টাবস ২৪ বলে ৪৪ রানের ঝড়ো ইনিংস খেললে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৮৭ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় দক্ষিণ আফ্রিকা।

১৮৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই ভেঙে পড়ে ভারতের ব্যাটিং লাইনআপ। ৫১ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে যায় তারা। শিবম দুবে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও অন্য প্রান্তে ছিল নিয়মিত উইকেট পতন। শেষ পর্যন্ত ৭ বল বাকি থাকতে ১১১ রানেই অলআউট হয় ভারত।

এর আগে ২০১০ বিশ্বকাপে ব্রিজটাউনে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৪৯ রানে হার ছিল ভারতের সবচেয়ে বড় পরাজয়। এবার সেই রেকর্ডও ছাড়িয়ে গেল এই হার। উল্লেখযোগ্য বিষয়, ২০২২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে হারের পর এটাই কোনো বহুজাতিক টুর্নামেন্টে ভারতের প্রথম হার। মাঝের ২২ ম্যাচে ২১টিতে জয় পেয়েছিল তারা, একটি ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হয়েছিল।

২৬ ফেব্রুয়ারি সুপার এইটে ভারতের পরবর্তী ম্যাচ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। ঘুরে দাঁড়াতে হলে সে ম্যাচে জয়ের বিকল্প নেই তাদের সামনে।




রমজানে আফগানিস্তানে ধর্মীয় স্কুল-মসজিদে পাকিস্তানের হামলা, নিহত বেড়ে ৮০

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ আফগানিস্তানে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতভর ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। আফগান সূত্র জানিয়েছে, ধর্মীয় স্কুল, বেসামরিক বাড়ি ও মসজিদে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান বাহিনী। এতে অন্তত ৮০ জন নিহত হয়েছে। খবর টোলো নিউজ ও সিনহুয়ার। 

তবে ইসলামাবাদ দাবি করেছে, পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তের কাছে সাতটি জঙ্গি ক্যাম্প ও আস্তানা লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। নিহতরা জঙ্গি বলে দাবি পাকিস্তানের।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আফগানিস্তানের পাকতিকা ও নানগরহার প্রদেশে এসব হামলা হয়েছে। পাকতিকায় যে বেসামরিক বাড়িতে পাকিস্তানি বাহিনী হামলা চালিয়েছে- সেই পরিবারের সদস্য আব্দুল্লাহ জান বলেন, গতকাল মধ্যরাতে বিমান থেকে বোমাবর্ষণ করা হয়েছে। টিটিপি’র সদস্যদের উপস্থিতির অজুহাতে তারা হামলা চালিয়েছে।

জেলার গভর্নর মিরজা আলি খান সাঈদ বলেছেন, মধ্যরাতে বোমাবর্ষণের পর রাত ২টায় আবার হামলা চালানো হয়। সেইসময় বাড়িতে কেউ ছিলেন তবে বাড়িটি পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে। বার্মাল জেলায় একটি ধর্মীয় স্কুলেও হামলা চালানো হয়েছে। 

মোহাম্মদ জুবায়ের নামে একজন প্রতক্ষ্যদর্শী বলেন, পরিস্থিতি অনেক খারাপ ছিল, শিশু ও নারীরা অনেক ভয়ে ছিল। ধুলো-ধোঁয়ায় বাতাস ভরে গিয়েছিল এবং সর্বত্র তীব্র গন্ধ ছিল। আশেপাশের বাড়ির বাসিন্দারা আমাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে সাহায্য করে।

আফগানিস্তানের তালেবান প্রশাসন এসব হামলার ‘উপযুক্ত’ জবাব দেওয়ার হুমকি দিয়েছে। আফগানিস্তানে পাকিস্তান বাহিনীর এই হামলায় ফলে দেশ দুইটির মধ্যে যুদ্ধবিরতি আরও নড়বড়ে হলো। সেইসঙ্গে প্রতিবেশী এই দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা এখন তুঙ্গে।

পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সাতটি সন্ত্রাসী শিবির এবং আস্তানায় নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।

ইসলামাবাদ দাবি করেছে, সাম্প্রতিক সময়ে ইসলামাবাদ, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বাজাউর ও বান্নু জেলায় সংঘটিত হামলাগুলো আফগানিস্তানভিত্তিক নেতৃত্ব ও হ্যান্ডলারদের নির্দেশে পরিচালিত হয়েছে। এর ‘চূড়ান্ত প্রমাণ’ আমাদের হাতে রয়েছে।




সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের নতুন প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারের দায়িত্বভার গ্রহণ

ডেস্ক নিউজঃ লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান আজ হতে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন।

সোমবার সকালে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নবনিযুক্ত প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারকে লেফটেন্যান্ট জেনারেল র‍্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এসময় সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান ও বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান ২১ জুন ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কোর অব ইনফেনট্রিতে কমিশন লাভ করেন। তিনি ২৪ ডিভিশনের জিওসি, সামরিক সচিব ও মহাপরিচালক, প্রতিরক্ষা ক্রয় মহাপরিদপ্তরসহ সেনাবাহিনীতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন।




হাজারীবাগে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, একই পরিবারের ৪ জন দগ্ধ

ডেস্ক নিউজঃ রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে শিশুসহ একই পরিবারের চারজন দগ্ধ হয়েছেন। সোমবার (২৩ জানুয়ারি) ভোর ৪টার দিকে পূর্ব রায়েরবাজারের একটি ছয়তলা ভবনের নিচতলায় এ ঘটনা ঘটে।

দগ্ধরা হলেন শেখ রোমান (৩৫), তার স্ত্রী পিংকি আক্তার (৩২), তাদের তিন বছরের ছেলে রুহান এবং রোমানের শ্যালক অপু (২৩)। গুরুতর অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট-এ ভর্তি করা হয়েছে।

দগ্ধ রোমানের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনায়। তিনি একটি রিয়েল এস্টেট কোম্পানিতে চাকরি করতেন এবং পরিবার নিয়ে রায়েরবাজারে ভাড়া বাসায় থাকতেন।

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, ভোরে রান্না করতে গিয়ে গ্যাসের চুলা জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ধারণা করা হচ্ছে, চুলা থেকে গ্যাস লিক হয়ে ঘরে জমে ছিল। আগুন লাগার পর মুহূর্তেই চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং পরিবারের সদস্যরা দগ্ধ হন।

বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান জানান, চারজনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। শেখ রোমানের শরীরের ৭০ শতাংশ, পিংকি আক্তারের ৭৫ শতাংশ, রুহানের ৩৫ শতাংশ এবং অপুর ৫০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।




সাবেক উপদেষ্টাদের সরকারি বাসা ছাড়ার নির্দেশনা

ডেস্ক নিউজঃ বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের সরকারি বাসভবনে বেশিদিন রাখতে চাইছে না গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। চলতি মাসের মধ্যেই তাদের বাড়ি ছেড়ে দেওয়ার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এরপরও যদি কারও বিশেষ অসুবিধা হয়, তাহলে সর্বোচ্চ তাকে এক থেকে দুই মাস সময় দেওয়া হবে। তবে মার্চ বা এপ্রিল মাসে কেউ সরকারি বাসা ব্যবহার করলে তাকে সরকার নির্ধারিত ভাড়া পরিশোধ করতে হবে।

একই সঙ্গে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসও আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি সরকারি বাসভবন যমুনা ছেড়ে ঢাকার গুলশানে নিজের বাসভবনে উঠবেন বলে জানা গেছে। তবে সাবেক উপদেষ্টা কিংবা অন্যদের কেউ ফেব্রুয়ারির পর সরকারি বাসায় থাকতে চাইছেন বলে আবাসন পরিদপ্তরকে অবহিত করেননি।

আবাসন পরিদপ্তরের পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের আবাসনের যেমন নীতিমালা রয়েছে, উপদেষ্টাদের ক্ষেত্রে সে রকম নীতিমালা নেই। তারা কোনও পেনশন সুবিধাও পান না। এ জন্য তাদের বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। আশা করা যায়, তারা সবাই চলতি মাসের মধ্যেই বাসা ছেড়ে দেবেন।

তিনি আরও বলেন, কারও বিশেষ প্রয়োজন হলে হয়তো এক মাস সময় নেবেন। সেক্ষেত্রে তাদের কাছ থেকে ভাড়া আদায় করা হবে। যেহেতু ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচন হয়েছে। এই মাসের ভাড়া তাদের কাছ থেকে নেওয়া হবে না।

জানা গেছে, সরকারের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের জন্য মিন্টো রোড ও হেয়ার রোডে ২৪টি বাংলো বাড়ি ও ১২টি অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে। এর বাইরে বিরোধীদলীয় নেতার জন্য আরেকটি বাসভবন রয়েছে। সেগুলো দ্রুত মেরামত করে এক মাসের মধ্যেই বর্তমান সরকারের মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও প্রতিমন্ত্রীদের বরাদ্দ দিতে চায় আবাসন পরিদপ্তর। বর্তমানে সেসব স্থাপনায় অবস্থান করা সাবেক সরকারের কর্তাব্যক্তিদের গণপূর্ত অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে অবহিত করা হয়েছে। তাদের কেউ চলতি মাসের বাইরে থাকতে চাওয়ার আগ্রহ ব্যক্ত করেননি।

আবাসন পরিদপ্তর আশা করছে, চলতি মাসে বাসাগুলো খালি হলে সেগুলো রংচং ও মেরামত করে পর্যায়ক্রমে নতুন মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও প্রতিমন্ত্রীদের বরাদ্দ দেওয়া হবে। মার্চের মধ্যেই এ কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। তবে আবাসন পরিদপ্তর চেষ্টা করছে একই সঙ্গে সবাইকে বাসা বরাদ্দের। ইতোমধ্যে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার ২১ জন বাসার জন্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছেন। কিন্তু কাকে কোন বাসা বরাদ্দ দেওয়া হবে, তা নিয়ে মন্ত্রণালয়ের সচিব নজরুল ইসলাম মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তা ও আবাসন পরিদপ্তরের শীর্ষদের নিয়ে বৈঠক করেছেন। পরে আবেদনগুলো নবনিযুক্ত গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের দপ্তরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়। আবেদনকারীরা কোন বাংলো ও অ্যাপার্টমেন্টে থাকতে আগ্রহী, সেটি তাদের সরেজমিন পরিদর্শন করে মন্ত্রীর দপ্তরকে জানাতে বলা হয়েছে। আবেদনকারীদের কয়েকজন ইতোমধ্যে পরিদর্শন করেছেন।

এদিকে বর্তমান সরকারের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন ৪৯ জন। এছাড়া মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় উপদেষ্টা-বিশেষ সহকারী আছেন আরও ১০ জন। এর বাইরে প্রধানমন্ত্রী রয়েছেন একজন। মন্ত্রী মর্যাদায় বিরোধীদলীয় নেতা ও প্রতিমন্ত্রী মর্যাদায় বিরোধীদলীয় চিফ হুইপও রয়েছেন। পাশাপাশি মন্ত্রী মর্যাদায় সরকারদলীয় চিফ হুইপ ও প্রতিমন্ত্রী মর্যাদায় হুইপও থাকবেন একাধিক। কিন্তু বরাদ্দ দেওয়ার মতো মোট বাড়ি-অ্যাপার্টমেন্ট আছে ৩৭টি। এর বাইরে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের জন্য আপাতত রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনাকে দেওয়া হবে।

জানা গেছে, এ তালিকায় খোদ গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুরও রয়েছেন।

এ অবস্থায় সবার আবাসনের ব্যবস্থা আবাসন পরিদপ্তর করতে পারবে কিনা– সে প্রসঙ্গে পরিদপ্তরের পরিচালক বলেন, সবাই তো আর সরকারি বাসা বরাদ্দ চাইবেন না। কাজেই সেটা সমস্যা হবে না।

স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (নগর উন্নয়ন অনুবিভাগ) আকনুর রহমান এ বিষয়ে কথা বলতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, আইনে এ ধরনের কিছু আছে কি না, সেটি পর্যালোচনা করে দেখতে হবে। তার আগে এ বিষয়ে কিছু বলা যাবে না।




ঈশ্বরদীর সাহান পড়ে থাকা জমির চারিদিকে আইল বেঁধে মাছ চাষে পথ চলা শুরু করেন

জাহিদুল ইসলাম নিক্কন, ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি: ঈশ্বরদী উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের আটঘরিয়া গ্রামের মৃত ওমর আলীর ছেলে শাহ আলম সাহান অনেক আশা ও স্বপ্ন নিয়ে মৎস্য চাষে পথ চলা শুরু করেন। তিনি দীর্ঘ ১৬ বছর কুয়েত প্রবাসী ছিলেন। দেশে ফিরে তিনি বেকার জীবন যাপন করছিলেন। বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি পেতে বিভিন্ন জানার কাছ থেকে মৎস্য চাষের পরামর্শ নিয়ে নিজ বাড়ির পাশের একটি পুকুর দিয়ে মাছ চাষ শুরু করেন।
 
আটঘরিয়া গ্রামবাসীর পক্ষে মোঃ সাইফুল ইসলাম পিতাঃ মোঃ গিয়াস উদ্দিন শেখ বলেন,সাহান বিদেশ থেকে আসার পর একটি পুকুর দিয়ে মাছ চাষ শুরু করেন। পুকুরের পাশের জমিটি নিচু হাওয়ায় বছরের প্রায় সময় পানি জমে থাকে। এই জমিতে ফসল হয় না মাছও চাষ করা যায় না। সে কারণে জমির চারিদিকে আইল তৈরি করে মাছ চাষের উপযোগী করছেন সাহান। এই জমির চারিদিকে আইল হলে আমাদের তেমন কোন ক্ষতি হবে না। বরং এখানে মাছ চাষ হলে এলাকার বেকার ছেলেদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে বলে আমি মনে করছি।
শাহ আলম সাহান বলেন, দীর্ঘ ১৬ বছর কুয়েতে প্রবাসী ছিলাম। সে সময় কুয়েত থেকে দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছি।দেশে ফিরে এক রকমের বেকার জীবন যাপন করতে ছিলাম। বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি পেতে এলাকার বিভিন্ন মাছ চাষির কাছ থেকে পরামর্শ নিয়ে নিজ বাড়ির পাশের একটি পুকুর দিয়ে অনেক আশা ও স্বপ্ন নিয়ে মৎস্য চাষে পথ চলা শুরু করি। পুকুরের পাশে আমার একটি নিচু জমি রয়েছে। এখানে তেমন কোন ফসল হয় না। জমি নিচু হওয়ার কারণে সারা বছরই জলাবদ্ধ থাকে। সঠিক ভাবে মাছ চাষ করতে পারলে কিছুটা হলেও দেশের আমিষের চাহিদা মেটাতে পারবো বলে আশা পোষণ করছি। আমার পুকুরটি সংস্কার এবং পাশের পতিত পড়ে থাকা জমির চারিদিকে আইল বেঁধে মাছ চাষ করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্যারের কাছে আবেদন করেছি।



ঢাকা দক্ষিণে প্রশাসক আব্দুস সালাম, আর উত্তরে হলেন মিল্টন

ডেস্ক নিউজঃ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে মো. আব্দুস সালামকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। আর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।

রবিবার স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এছাড়া খুলনা, সিলেট, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনেও প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে মো. আব্দুস সালামকে। আর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে মো. শফিকুল ইসলাম খানকে।

খুলনা সিটি করপোরেশনে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। সিলেট সিটি করপোরেশনে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীকে।

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. সাখাওয়াত হোসেন খান। আর গাজীপুর সিটি করপোরেশনে প্রশাসক করা হয়েছে মো. শওকত হোসেন সরকারকে।

মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সিটি করপোরেশন-১ শাখা থেকে জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৪ এর ধারা ২৫(ক) এর উপধারা (১) এর অনুবৃত্তিক্রমে এসব ব্যক্তিদের করপোরেশন গঠিত না হওয়া পর্যন্ত অথবা পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাদের নামে পাশে বর্ণিত সিটি করপোরেশনের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হলো।

এতে আরও বলা হয়, নিয়োগ দেওয়া প্রশাসকরা স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০১৪- এর ধারা ২৫ক-এর উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী সিটি করপোরেশনের মেয়রের ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন। তারা বিধি মোতাবেক ভাতা পাবেন।